রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) এবং টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্প বাস্তবায়নে ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান,অধিকাংশক্ষেত্রে কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন দেখানো হলেও বাস্তবে সঠিকভাবে কাজ করা হয়নি।
ইতিমধ্যে জুন ফাইনাল শেষ করে প্রকল্পের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। অনিয়মের মাধ্যমে নিন্মমানের কাজ করায় অধিকাংশ রাস্তা ভেঙ্গে দেবে যাওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের (ইউপি) কাবিটার একটি প্রকল্পে পরিদর্শনে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। প্রকল্পের পরিপত্র অনুযায়ী, কাজ শুরুর আগে বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, কমিটির নাম ও বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে সিংহভাগ প্রকল্পের কাজ শেষ ও বিল উত্তোলনের পর সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোহনপুর উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে মোহনপুর উপজেলা সদর বাকশিমইল ইউনিয়নের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ( কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় সইপাড়া আবুলের ভিটা হতে বাক্কারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও ইট সোলিংকরণ কাজের জন্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি করেন প্রকল্প সভাপতি বাকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল।
স্থানীয়দের অভিযোগ বরাদ্দের তুলনায় সঠিকভাবে কাজ না করায় রাস্তার ইট সোলিংকরণের কিছু দিন পর থেকে রাস্তা দেবে গিয়ে ইট উঠে যাচ্ছে। রাস্তার পাশের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ইট সোলিংকরণ করা সময় রাস্তার মাঝখানে না খুড়ে সামান্য বালি ব্যবহার করে নিম্মমানের ইট দিয়ে কাজ করা হয়েছে। এতে করে কিছু দিন পর থেকে রাস্তার ইট উঠে যাচ্ছে। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রকল্প সভাপতি বলেন, শতভাগ কাজ করা সম্ভব না। প্রকল্পের প্রথম কিস্তির বিল উত্তোলন করায় সময় কতিপয় কর্মকর্তাকে লাখে ১০ হাজার টাকা ও কম্পিউটার অপারেটরকে ২ হাজার টাকা দিতে হয়। অন্যান্য সেক্টরের একই অবস্থা। তিনি বলেন,উপজেলার প্রতিটি প্রকল্পে একই অবস্থা,সরেজমিন প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। তিনি বাস্তবায়ন করা প্রতিটি প্রকল্প সরেজমিন তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে কাবিটা প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পের নিয়ম অনুসারে কাজ করা হয়েছে।
এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অধিকাংশ প্রকল্পের বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনেক প্রকল্পের সমস্যা দেখা দিয়েছে। পুনরায় কাজ না করা পর্যন্ত বিল পরিশোধ করা হবে না।তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম-দুর্নীতির কোনো সুযোগ নাই।
স্থানীয়রা জানান,অধিকাংশক্ষেত্রে কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন দেখানো হলেও বাস্তবে সঠিকভাবে কাজ করা হয়নি।
ইতিমধ্যে জুন ফাইনাল শেষ করে প্রকল্পের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। অনিয়মের মাধ্যমে নিন্মমানের কাজ করায় অধিকাংশ রাস্তা ভেঙ্গে দেবে যাওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের (ইউপি) কাবিটার একটি প্রকল্পে পরিদর্শনে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। প্রকল্পের পরিপত্র অনুযায়ী, কাজ শুরুর আগে বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, কমিটির নাম ও বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে সিংহভাগ প্রকল্পের কাজ শেষ ও বিল উত্তোলনের পর সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোহনপুর উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে মোহনপুর উপজেলা সদর বাকশিমইল ইউনিয়নের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ( কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় সইপাড়া আবুলের ভিটা হতে বাক্কারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও ইট সোলিংকরণ কাজের জন্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি করেন প্রকল্প সভাপতি বাকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল।
স্থানীয়দের অভিযোগ বরাদ্দের তুলনায় সঠিকভাবে কাজ না করায় রাস্তার ইট সোলিংকরণের কিছু দিন পর থেকে রাস্তা দেবে গিয়ে ইট উঠে যাচ্ছে। রাস্তার পাশের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ইট সোলিংকরণ করা সময় রাস্তার মাঝখানে না খুড়ে সামান্য বালি ব্যবহার করে নিম্মমানের ইট দিয়ে কাজ করা হয়েছে। এতে করে কিছু দিন পর থেকে রাস্তার ইট উঠে যাচ্ছে। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রকল্প সভাপতি বলেন, শতভাগ কাজ করা সম্ভব না। প্রকল্পের প্রথম কিস্তির বিল উত্তোলন করায় সময় কতিপয় কর্মকর্তাকে লাখে ১০ হাজার টাকা ও কম্পিউটার অপারেটরকে ২ হাজার টাকা দিতে হয়। অন্যান্য সেক্টরের একই অবস্থা। তিনি বলেন,উপজেলার প্রতিটি প্রকল্পে একই অবস্থা,সরেজমিন প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। তিনি বাস্তবায়ন করা প্রতিটি প্রকল্প সরেজমিন তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে কাবিটা প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পের নিয়ম অনুসারে কাজ করা হয়েছে।
এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অধিকাংশ প্রকল্পের বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনেক প্রকল্পের সমস্যা দেখা দিয়েছে। পুনরায় কাজ না করা পর্যন্ত বিল পরিশোধ করা হবে না।তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম-দুর্নীতির কোনো সুযোগ নাই।
আলিফ হোসেন